Вы читаете тафсир для группы стихов 18:66 до 18:70
قال له موسى هل اتبعك على ان تعلمن مما علمت رشدا ٦٦ قال انك لن تستطيع معي صبرا ٦٧ وكيف تصبر على ما لم تحط به خبرا ٦٨ قال ستجدني ان شاء الله صابرا ولا اعصي لك امرا ٦٩ قال فان اتبعتني فلا تسالني عن شيء حتى احدث لك منه ذكرا ٧٠
قَالَ لَهُۥ مُوسَىٰ هَلْ أَتَّبِعُكَ عَلَىٰٓ أَن تُعَلِّمَنِ مِمَّا عُلِّمْتَ رُشْدًۭا ٦٦ قَالَ إِنَّكَ لَن تَسْتَطِيعَ مَعِىَ صَبْرًۭا ٦٧ وَكَيْفَ تَصْبِرُ عَلَىٰ مَا لَمْ تُحِطْ بِهِۦ خُبْرًۭا ٦٨ قَالَ سَتَجِدُنِىٓ إِن شَآءَ ٱللَّهُ صَابِرًۭا وَلَآ أَعْصِى لَكَ أَمْرًۭا ٦٩ قَالَ فَإِنِ ٱتَّبَعْتَنِى فَلَا تَسْـَٔلْنِى عَن شَىْءٍ حَتَّىٰٓ أُحْدِثَ لَكَ مِنْهُ ذِكْرًۭا ٧٠
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

৬৬-৭০ নং আয়াতের তাফসীর: এখানে ঐ কথোপকথনের বর্ণনা দেয়া হচ্ছে যা হযরত মূসা (আঃ) ও হযরত খিযুরের (আঃ) মধ্যে হয়েছিল। হযরত খির (আঃ) ঐ বিদ্যার সাথে বিশিষ্ট ছিলেন যে বিদ্যা হযরত মূসার (আঃ) ছিল না। আর হযরত মূসার (আঃ) ঐ বিদ্যা জানা ছিল যা হযরত খিযুরের (আঃ) জানা ছিল না। হযরত মূসা (আঃ) আদবের সাথে হ্যরত খিরের (আঃ) কাছে আবেদন জানাচ্ছেন যাতে তাঁর প্রতি তিনি দয়া প্রদর্শন করেন। শিক্ষককে এইভাবে আদবের সাথে প্রশ্ন করাই ছাত্রের উচিত। হযরত মূসা (আঃ) হযরত খিযুরের (আঃ) কাছে আবেদন করছেনঃ “আপনার অনুমতি হলে আমি আপনার কাছে থাকবো ও আপনার খিদমত করবো এবং আপনার কাছে জ্ঞান লাভ করবে যার দ্বারা আমি উপকৃত হবো। আর এর ফলে আমার আমল ভাল হবে।” জবাবে হযরত খির (আঃ) তাকে বলেনঃ “আপনি আমার কাছে থেকে ধৈর্য ধারণ করতে পারবেন না। আমার কাজকর্ম আপনার জ্ঞানের বিপরীত মনে হবে। আমার জ্ঞান আপনার নেই এবং আপনার জ্ঞান আমার নেই। আমি একটি পৃথক খিদমতের কাজে লেগে রয়েছি এবং আপনিও একটা পৃথক খিদমতের কাজে নিযুক্ত রয়েছেন। আপনার যে জ্ঞান আছে তার বিপরীত কাজ দেখে আপনি ধৈর্য ধারণ করতে পারবেন এটা অসম্ভব। আর ঐ অবস্থা আপনি ক্ষমাই বলে বিবেচিত হবেন। কেননাঃ বাতেনী ও গুপ্ত নিপুণতা ও যৌক্তিকতা সম্পর্কে আপনার জ্ঞান নেই। আর আল্লাহ আমাকে ঐ জ্ঞান দান করেছেন। তার এ কথা শুনে হযরত মূসা (আঃ) তাঁকে বলেনঃ “আপনি যা কিছু করবেন আমি তা দেখে সহ্য করে নেবো। কোন ব্যাপারেই আমি আপনার বিরুদ্ধাচরণ করবো না।” তখন হযরত খিষ্যর (আঃ) তাঁকে বললেনঃ “আপনি যদি একান্তই আমার সাথে থাকতে চান তবে শর্ত এই যে, কোন কিছুর ব্যাপারে আপনি আমাকে কোন প্রশ্ন করবেন না। আমি যা বলবো তাই শুনবেন এবং যা করবো তা নীরবে দেখে যাবেন। নিজের পক্ষ থেকে আপনি কোন প্রশ্নের সূচনা করবেন না।”হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, হযরত মূসা (আঃ) মহামহিমান্বিত আল্লাহকে জিজ্ঞেস করেনঃ “আপনার সমস্ত বান্দার মধ্যে আপনার সবচেয়ে প্রিয় পত্রি কে?" উত্তরে মহান আল্লাহ বলেনঃ “যে সব সময় আমাকে স্মরণ করে, কখনও আমা হতে বিস্মরণ হয় না। আবার তিনি প্রশ্ন করেনঃ “ আপনার সমস্ত বান্দার মধ্যে সবচেয়ে উত্তম ফায়সালাকারী কে?" জবাবে তিনি বলেনঃ “যে ন্যায়ের সাথে ফায়সালা করে এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ করে না।" পুনরায় তিনি জিজ্ঞেস করেন “সবচেয়ে বড় আলেম কে?” উত্তরে আল্লাহ পাক বলেনঃ “যে আলেম সব সময় ইলমের সন্ধানে থাকে, প্রত্যেকের কাছেই শিখতে চায় এই আশায় যে, কোন হিদায়াতের কথা সে পেয়ে যাবে এবং হয়তো কোন বিভ্রান্তিমূলক কথা থেকে দূরে দূরে সরে থাকতে পারবে।” এরপর হযরত মূসা (আঃ) জিজ্ঞেস করেনঃ “এই ভূ-পৃষ্ঠে আপনার কোন বান্দা আমার চেয়েও বড় আলেম আছে কি?” জবাবে আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “হাঁ, আছে।" তিনি প্রশ্ন করেনঃ “তিনি কে?” আল্লাহ তাআলা উত্তরে বলেনঃ “খির (আঃ)।” তিনি আরয করেনঃ “আমি তাকে কোথায় খোজ করবো? আল্লাহ তাআলা জবাবে বলেনঃ “ সমুদ্রের তীরে পাথরের পার্শ্বে, যেখান থেকে মাছ পালিয়ে যাবে। তখন হযরত মূসা (আঃ) তার খোঁজে যাত্রা শুরু করে দেন। তারপর ঐ সব ঘটনা ঘটলো। যার বর্ণনা কুরআন কারীমে বিদ্যমান রয়েছে। ঐ পাথরের কাছে তাদের দু'জনের সাক্ষাৎ হয়। এই রিওয়াইয়াতে এও রয়েছে যে, ওটা হচ্ছে দুই সমুদ্রের মিলন স্থল, যেখানকার চেয়ে বেশী পানি অন্য কোথাও নেই, পাখী তার চঞ্চুতে পানি নিয়েছিল। (শেষ পর্যন্ত)।