Вы читаете тафсир для группы стихов 15:67 до 15:72
وجاء اهل المدينة يستبشرون ٦٧ قال ان هاولاء ضيفي فلا تفضحون ٦٨ واتقوا الله ولا تخزون ٦٩ قالوا اولم ننهك عن العالمين ٧٠ قال هاولاء بناتي ان كنتم فاعلين ٧١ لعمرك انهم لفي سكرتهم يعمهون ٧٢
وَجَآءَ أَهْلُ ٱلْمَدِينَةِ يَسْتَبْشِرُونَ ٦٧ قَالَ إِنَّ هَـٰٓؤُلَآءِ ضَيْفِى فَلَا تَفْضَحُونِ ٦٨ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَلَا تُخْزُونِ ٦٩ قَالُوٓا۟ أَوَلَمْ نَنْهَكَ عَنِ ٱلْعَـٰلَمِينَ ٧٠ قَالَ هَـٰٓؤُلَآءِ بَنَاتِىٓ إِن كُنتُمْ فَـٰعِلِينَ ٧١ لَعَمْرُكَ إِنَّهُمْ لَفِى سَكْرَتِهِمْ يَعْمَهُونَ ٧٢
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

৬৭-৭২ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা সংবাদ দিচ্ছেন যে, হযরত লূতের (আঃ) বাড়ীতে সুদর্শন তরুণ যুবকগণ অতিথি হিসেবে আগমন করেছেন। এ খবর যখন তাঁর কওমের লোকেরী পেলো তখন তারা তাদের খারাপ উদ্দেশ্য সফল করার লক্ষ্যে অত্যন্ত আনন্দিত অবস্থায় তার বাড়ীতে দৌড়িয়ে আসলো। আল্লাহর নবী হযরত লুত (আঃ) তাদেরকে বুঝাতে লাগলেন। তিনি তাদেরকে বললেনঃ “তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। আমার অতিথিদের ব্যাপারে আমাকে লজ্জিত করো।” স্বয়ং হযরত লুত (আঃ) জানতেন না যে, তার অতিথিগণ আল্লাহর ফেরে, যেমন সূরায়ে হুদে রয়েছে। যদিও এরও বর্ণনা এখানে পরে হয়েছে এবং ফেরেশতাদের প্রকাশিত হয়ে পড়ার বর্ণনা পূর্বে হয়েছে; কিন্তু এর দ্বারা ক্রম পর্যায় উদ্দেশ্য নয়। আর (আরবি) অক্ষরটি তারতীব বা ক্রম বিন্যাসের জন্যে আসেও না, বিশেষ করে এমন ক্ষেত্রে যেখানে ওর বিপরীত দলীল বিদ্যমান থাকে। হযরত লূত (আঃ) তাঁর কওমকে বললেনঃ “আমাকে তোমরা অপদস্থ করো না।” তারা উত্তরে বলেঃ “আপনার যখন এটা খেয়াল ছিল তখন আপনি এদেরকে অতিথি হিসেবে আপনার বাড়ীতে স্থান দিয়েছেন কেন? আমরা তো। আপনাকে পূর্বেই নিষেধ করেছিলাম।” তখন তিনি তাদেরকে আরো বুঝিয়ে বললেনঃ “তোমাদের স্ত্রীগণ, যারা আমার কন্যাতুল্য, তারাই তোমাদের কামনা-বাসনা চরিতার্থ করার পাত্র, এরা নয়।”এর পূর্ণ বিবরণ আমরা বিস্তারিতভাবে ইতিপূর্বে দিয়ে এসেছি। সুতরাং এর পুনরাবৃত্তি নিষ্প্রয়োজন। যেহেতু ঐ লোকগুলি কাম-বাসনায় উন্নত্ত ছিল এবং আল্লাহর শাস্তির যে ফায়সালা তাদের মস্তকোপরি ঝুলছিল, তা থেকে তারা ছিল সম্পূর্ণরূপে উদাসীন, সেই হেতু আল্লাহ তাআলা স্বীয় নবীর (সঃ) জীবনের শপথ করে তাদের এই অবস্থার বর্ণনা দিচ্ছেন। এর দ্বারা রাসূলুল্লাহর (সঃ) অত্যধিক মর্যাদা প্রকাশিত হয়েছে। হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তাআলা তাঁর যতগুলি মাখলুক সৃষ্টি করেছেন তন্মধ্যে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) অপেক্ষা অধিক মর্যাদাবান আর কেউই নেই। মহান আল্লাহ একমাত্র তাঁরই জীবনে শপথ ছাড়া আর কারো জীবনের শপথ করেন নাই। (আরবি) দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে ভ্রান্তি ও পথভ্রষ্টতা। তাতেই তারা উদভ্রান্ত হয়ে ফিরছে।