Você está lendo um tafsir para o grupo de versos 10:79 a 10:82
وقال فرعون ايتوني بكل ساحر عليم ٧٩ فلما جاء السحرة قال لهم موسى القوا ما انتم ملقون ٨٠ فلما القوا قال موسى ما جيتم به السحر ان الله سيبطله ان الله لا يصلح عمل المفسدين ٨١ ويحق الله الحق بكلماته ولو كره المجرمون ٨٢
وَقَالَ فِرْعَوْنُ ٱئْتُونِى بِكُلِّ سَـٰحِرٍ عَلِيمٍۢ ٧٩ فَلَمَّا جَآءَ ٱلسَّحَرَةُ قَالَ لَهُم مُّوسَىٰٓ أَلْقُوا۟ مَآ أَنتُم مُّلْقُونَ ٨٠ فَلَمَّآ أَلْقَوْا۟ قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ ٱلسِّحْرُ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ سَيُبْطِلُهُۥٓ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ ٱلْمُفْسِدِينَ ٨١ وَيُحِقُّ ٱللَّهُ ٱلْحَقَّ بِكَلِمَـٰتِهِۦ وَلَوْ كَرِهَ ٱلْمُجْرِمُونَ ٨٢
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

৭৯-৮২ নং আয়াতের তাফসীর: মহান আল্লাহ যাদুকর ও মূসা (আঃ)-এর কাহিনী সূরায়ে আ’রাফে বর্ণনা করেছেন এবং সেখানে এর উপর আলোকপাত করা হয়েছে। আর এই সূরায় এবং সূরায়ে তাহা ও সূরায়ে শুআরায়ও এটা বর্ণিত হয়েছে। ফিরআউন তার যাদুকরদের বাজে কথন এবং প্রতারণামূলক কলাকৌশলের মাধ্যমে মূসা (আঃ)-এর সুস্পষ্ট সত্যের মুকাবিলা করতে চেয়েছিল। কিন্তু সে সম্পূর্ণরূপে বিফল মনোরথ হয় এবং সাধারণ সমাবেশে আল্লাহ্ পাকের দলীল প্রমাণাদি ও মু'জিযাসমূহ জয়যুক্ত হয়। সমস্ত যাদুকর সিজদায় পড়ে যায় এবং বলে ওঠে “আমরা বিশ্ব প্রতিপালকের উপর ঈমান আনলাম। যিনি মূসা (আঃ) ও হারূন (আঃ)-এর প্রতিপালক।" ফিরআউনের তো বিশ্বাস ছিল যে, সে যাদুকরদের সাহায্যে আল্লাহর রাসূলের উপর বিজয় লাভ করবে। কিন্তু সে অকৃতকার্য হয় এবং তার জন্যে জাহান্নাম অবধারিত হয়ে যায় । ফিরআউন নির্দেশ দিয়েছিল যে, দেশের প্রত্যেক প্রান্ত থেকে যেন যাদুকরদেরকে একত্রিত করা হয়। ঐ যাদুকররা মূসা (আঃ)-কে বলেঃ “আপনি যে কাজ করতে চান করে ফেলেন। তাদের একথা বলার কারণ ছিল এই যে, ফিরআউন তাদের সাথে অঙ্গীকার করেছিলঃ “তোমরা যদি বিজয় লাভ করতে পার, তবে আমার নৈকট্য লাভ করবে এবং তোমাদেরকে বড় রকমের পুরস্কার দেয়া হবে।” যাদুকররা মূসা (আঃ)-কে বলেঃ “প্রথমে আপনি আপনার কর্মকৌশল দেখাবেন, না আমরাই প্রথমে দেখাবো?” উত্তরে মূসা (আঃ) বললেনঃ “তোমরাই প্রথমে তোমাদের কলাকৌশল প্রদর্শন কর।” এটা বলার উদ্দেশ্য ছিল এই যে, যাতে যাদুকররা কি পেশ করছে তা জনগণ দেখতে পারে। তারপর যেন সত্যের আগমন ঘটে এবং মিথ্যাকে মিথ্যারূপেই প্রমাণ করে। যাদুকররা তাদের যাদুর দড়িগুলো নিক্ষেপ করলো এবং জনগণের চোখে যাদু লাগিয়ে দিলো। তাদের দড়িগুলো সাপ হয়ে গেল, ফলে জনগণ ভয় পেয়ে গেল। তারা মনে করলো যে, যাদুকররা বড় রকমের যাদু পেশ করেছে। মূসা (আঃ)-ও ভয় পেয়ে গেলেন। আল্লাহ পাক তখন মূসা (আঃ)-কে বললেনঃ “হে মূসা (আঃ)! ভয় করো না। তুমিই জয়যুক্ত হবে। তোমার লাঠিখানা তুমি মাটিতে নিক্ষেপ কর। ওটি অজগর হয়ে গিয়ে তাদের সাপগুলোকে গিলে ফেলবে। যাদুকরদের এই কর্মকৌশল তো যাদু ছাড়া কিছুই নয়। যাদুকররা কোনক্রমেই সফলতা লাভ করতে পারে না। এ অবস্থায় মূসা (আঃ) তাদেরকে বললেনঃ “এটা তো তোমাদের যাদুর খেলা। আল্লাহ তা'আলা অবশ্যই তোমাদের এ কাজকে মিথ্যা প্রমাণিত করবেন।”আল্লাহ পাক বলেন- “আল্লাহ্ ফাসাদকারীদের কাজ সম্পন্ন হতে দেন না। তিনি সত্যকে সত্যরূপেই প্রমাণ করবেন, যদিও পাপাচারীদের কাছে তা অপছন্দনীয় হয়।”ইবনে আবি সুলাইম (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নিম্নের আয়াতগুলো আল্লাহ তা'আলার হুকুমে যাদুক্রিয়া থেকে আরোগ্য দানের কাজ করে থাকে। এই আয়াত পড়ে পানিতে ফুঙ্কার দিতে হবে। অতঃপর সেই পানি যাদুকৃত ব্যক্তির মাথায় ঢেলে দিতে হবে। আয়াতগুলো হচ্ছে সূরায়ে ইউনুসের নিম্নের আয়াতঃ (আরবী) পর্যন্ত। অন্য আয়াত হচ্ছেঃ (আরবী) (৭:১১৮) হতে শেষ চার আয়াত পর্যন্ত। আর (আরবী) (২০:৬৯) এই আয়াতটি।