Stai leggendo un tafsir per il gruppo di versi 15:80 a 15:84
ولقد كذب اصحاب الحجر المرسلين ٨٠ واتيناهم اياتنا فكانوا عنها معرضين ٨١ وكانوا ينحتون من الجبال بيوتا امنين ٨٢ فاخذتهم الصيحة مصبحين ٨٣ فما اغنى عنهم ما كانوا يكسبون ٨٤
وَلَقَدْ كَذَّبَ أَصْحَـٰبُ ٱلْحِجْرِ ٱلْمُرْسَلِينَ ٨٠ وَءَاتَيْنَـٰهُمْ ءَايَـٰتِنَا فَكَانُوا۟ عَنْهَا مُعْرِضِينَ ٨١ وَكَانُوا۟ يَنْحِتُونَ مِنَ ٱلْجِبَالِ بُيُوتًا ءَامِنِينَ ٨٢ فَأَخَذَتْهُمُ ٱلصَّيْحَةُ مُصْبِحِينَ ٨٣ فَمَآ أَغْنَىٰ عَنْهُم مَّا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ ٨٤
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

৮০-৮৪ নং আয়াতের তাফসীর “আসহাবুল হি’ দ্বারা সামূদ সম্প্রদায়কে বুঝানো হয়েছে। যারা তাদের নবী হযরত সালেহকে (আঃ) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল। এটা স্পষ্ট কথা যে, একজন নবীকে মিথ্যা প্রতিপন্নকারীরা যেন সমস্ত নবীকেই মিথ্যা প্রতিপন্নকারী। এ জন্যেই বলা হয়েছে, তারা রাসূলদের প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছিল। তাদের কাছে এমন মু'জিযা' এসে পড়ে যার দ্বারা হযরত সা'লেহের (আঃ) সত্যবাদিতা তাদের কাছে স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়ে পড়ে। যেমন একটি কঠিন পাথরের পাহাড়ের মধ্য থেকে একটি উষ্ট্ৰী বের হওয়া, যা তাদের শহরে বিচরণ করতো। একদিন ওটা পানি পান করতো, আর পরের দিন ঐ শহরবাসীদের জন্তুগুলি পানি পান করতো। তথাপি ঐ লোকগুলি বাঁকা পথেই চলতে থাকে, এমনকি তারা ঐ উষ্ট্ৰীটিকে হত্যা করে ফেলে। ঐ সময় হযরত সালেহ (আঃ) তাদেরকে বলেনঃ “জেনে রেখো যে, তিন দিনের মধ্যেই তোমাদের উপর আল্লাহর শাস্তি নেমে আসবে। এটা সম্পূর্ণরূপে সত্য ও সঠিক। ওয়াদা।”ঐ লোকগুলি তখনও আল্লাহর প্রদর্শিত পথের উপর নিজেদের অন্ধত্বকেই প্রাধান্য দেয়। তারা শুধু মাত্র নিজেদের শক্তি ও বাহাদুরী প্রদর্শন এবং গর্ব ও অহংকারের বশবর্তী হয়েই পাহাড় কেটে কেটে তাদের গৃহ নির্মাণ। করেছিল, প্রয়োজনের তাগিদে নয়। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাবুকে যাওয়ার পথে। যখন ঐ লোকদের বাসভূমি অতিক্রম করেন তখন তিনি মাথায় কাপড় বেঁধে নেন এবং স্বীয় সওয়ারীকে দ্রুত বেগে চালিত করেন। আর স্বীয় সহচরদেরকে বলেনঃ “যাদের উপর আল্লাহর শাস্তি অবতীর্ণ হয়েছিল তাদের বস্তিগুলি ক্রন্দনরত অবস্থায় অতিক্রম করো। কান্না না আসলেও কান্নার ভান করো। না জানি হয়তো তোমরাও ঐ শাস্তির শিকারে পরিণত হয়ে যাও না কি।” যা হোক, শেষ পর্যন্ত ঠিক চতুর্থ দিনের সকালে আল্লাহর শাস্তি ভীষণ শব্দের রূপ নিয়ে তাদের উপর এসে পড়লো। ঐ সময় তাদের উপার্জিত। ধন-সম্পদ তাদের কোনই কাজে আসে নাই। যে সব শস্যক্ষেত্র ও ফলমূলের রক্ষণাবেক্ষণের জন্যে এবং ওগুলিকে বৃদ্ধিকরণের উদ্দেশ্যে ঐ উষ্ট্ৰীটির পানি পান অপছন্দ করতঃ ওকে তারা হত্যা করে ফেলে ছিল তা সেই দিন নিষ্ফল প্রমাণিত হয়ে যায় এবং মহামহিমান্বিত আল্লাহর নির্দেশ কার্যকরী হয়েই পড়ে।