ومن يهد الله فهو المهتد ومن يضلل فلن تجد لهم اولياء من دونه ونحشرهم يوم القيامة على وجوههم عميا وبكما وصما ماواهم جهنم كلما خبت زدناهم سعيرا ٩٧
وَمَن يَهْدِ ٱللَّهُ فَهُوَ ٱلْمُهْتَدِ ۖ وَمَن يُضْلِلْ فَلَن تَجِدَ لَهُمْ أَوْلِيَآءَ مِن دُونِهِۦ ۖ وَنَحْشُرُهُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ عَلَىٰ وُجُوهِهِمْ عُمْيًۭا وَبُكْمًۭا وَصُمًّۭا ۖ مَّأْوَىٰهُمْ جَهَنَّمُ ۖ كُلَّمَا خَبَتْ زِدْنَـٰهُمْ سَعِيرًۭا ٩٧
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

আল্লাহ তাআলা এখানে এই বিষয়ের বর্ণনা দিচ্ছেন যে, সমস্ত সৃষ্ট জীবের সব ব্যবস্থাপনা শুধু তাঁর হাতেই রয়েছে। তাঁর কোন হুকুম টলে না। তিনি যাকে সুপথ প্রদর্শন করেন তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারে না এবং তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে কেউ পথ দেখাতে পারে না। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ আমি কিয়ামতের দিন তাদেরকে হাশরের ময়দানে। মুখে ভর করে চলা অবস্থায় একত্রিত করবো। রাসুলুল্লাহকে (সঃ) জিজ্ঞেস করা হয়ঃ “এটা কি করে হতে পারে?” উত্তরে তিনি বলেনঃ “যিনি পায়ের ভরে চালিয়ে থাকেন তিনি মাথার ভরেও চালাতে পারবেন।” মুসনাদে আহমাদে রয়েছে যে, হযরত আবু যার (রাঃ) দণ্ডায়মান অবস্থায় তাঁর গোত্রীয় লোকদেরকে সম্বোধন করে বলেনঃ “হে বানূ গিফার গোত্রের লোক সকল! আর শপথ করো না। সত্যবাদী ও সত্যায়িত রাসূল (সঃ) আমাকে শুনিয়েছেনঃ “লোকদেরকে তিন শ্রেণীতে বিভক্ত করে হাশরের ময়দানে আনয়ন করা হবে। এক শ্রেণীর লোক পানাহারকারী ও পোশাক পরিধানকারী হবে। দ্বিতীয় শ্রেণীর লোক চলতে ও দৌড়াতে থাকবে এবং তৃতীয় শ্রেণীর লোককে ফেরেশতারা মুখের ভরে টেনে জাহান্নামের সামনে একত্রিত করবে।” জনগণ জিজ্ঞেস করলোঃ “দুই শ্রেণীর লোকদেরতো আমরা বুঝতে পারলাম। কিন্তু যারা চলবে ও দৌড়াবে তাদেরকে যে বুঝতে পারলাম না? তিনি জবাবে বললেনঃ “সওয়ারীর উপর বিপদ এসে যাবে। এমন কি প্রত্যেক লোক তার সুন্দর বাগের বিনিময়ে জিন বা গদী বিশিষ্ট উষ্ট্রী ক্রয় করতে চাইবে। কিন্তু পাবে না। তারা এ সময় অন্ধ, মূক, বধির হয়ে যাবে। মোট কথা, তাদের বিভিন্ন অবস্থা হবে। পাপের পরিমাণ অনুযায়ী তাদেরকে পাকড়াও করা হবে। দুনিয়ায় তারা ছিল সত্য হতে বধির, অন্ধ ও বোবা। আজ কঠিন প্রয়োজন ও অভাবের দিনে তারা সত্য সত্যই অন্ধ, বধির ও বোবা হয়ে যাবে। তাদের প্রকৃত ঠিকানা ও ঘোরা ফেরার জায়গা হবে জাহান্নাম।” প্রবল পরাক্রম আল্লাহ বলেনঃ জাহান্নাম যখন স্তিমিত হবে তখন ওর অগ্নি তাদের জন্যে প্রজ্জ্বলিত করে দেয়া হবে। যেমন তিনি এক জায়গায় বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “তোমরা শান্তির স্বাদ গ্রহণ কর, শাস্তি ছাড়া তোমাদের আর কিছুই বৃদ্ধি করা হবে না। (৭৮:৩০)।