شما در حال خواندن تفسیری برای گروه آیات 3:5 تا 3:6
ان الله لا يخفى عليه شيء في الارض ولا في السماء ٥ هو الذي يصوركم في الارحام كيف يشاء لا الاه الا هو العزيز الحكيم ٦
إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَخْفَىٰ عَلَيْهِ شَىْءٌۭ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَا فِى ٱلسَّمَآءِ ٥ هُوَ ٱلَّذِى يُصَوِّرُكُمْ فِى ٱلْأَرْحَامِ كَيْفَ يَشَآءُ ۚ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ ٦
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
۳

৫-৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা সংবাদ দিচ্ছেন যে, আকাশ ও পৃথিবীর কোন বস্তুই তাঁর নিকট লুক্কায়িত নেই, বরং সব কিছুরই তিনি পূর্ণ জ্ঞান রাখেন। তিনি বলেন- “আল্লাহ পাক তোমাদেরকে তোমাদের মায়ের জরায়ুর মধ্যে আকৃতি বিশিষ্ট করেছেন। তিনি যেভাবেই আকৃতি গঠনের ইচ্ছে করেছেন তাই করেছেন। তিনি ছাড়া অন্য কেউ ইবাদতের যোগ্য নেই। তিনি মহা পরাক্রমশালী ও বিজ্ঞানময়। একমাত্র তিনিই যখন তোমাদের আকৃতি গঠন করতঃ তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তখন তোমরা একমাত্র তার ইবাদত ছাড়া অন্যের ইবাদত করবে কেন? তিনি অবিনষ্ট সম্মান ও ধ্বংসহীন জ্ঞানের অধিকারী। এতে ইঙ্গিত রয়েছে এমন কি স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়েছে যে, হযরত ঈসাও (আঃ) আল্লাহ তাআলার সৃষ্ট এবং তাঁরই পদপ্রান্তে মস্তক অবনতকারী। সমস্ত মানুষের ন্যায় তিনিও একজন মানুষ। তার আকৃতিও আল্লাহ তা'আলা তার মায়ের জরায়ুর মধ্যে গঠন করেছিলেন এবং তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমেই সৃষ্ট হয়েছেন। সুতরাং তিনি কিরূপে আল্লাহ হয়ে গেলেন, যেমন অভিশপ্ত খ্রীষ্টানেরা মনে করে নিয়েছে। অথচ তিনিইতো তোমাদেরকে তোমাদের এক অবস্থা হতে অন্য অবস্থার দিকে ফিরিয়ে থাকেন। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছে (আরবী) অর্থাৎ তিনিই তোমাদেরকে তোমাদের মায়ের পেটে তিন তিনটি অন্ধকারের মধ্যে এক সৃষ্টির পর অন্য সৃষ্টির মাধ্যমে সৃষ্টি করে থাকেন।' (৩৯:৬)