واوحينا الى موسى واخيه ان تبوا لقومكما بمصر بيوتا واجعلوا بيوتكم قبلة واقيموا الصلاة وبشر المومنين ٨٧
وَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَىٰ وَأَخِيهِ أَن تَبَوَّءَا لِقَوْمِكُمَا بِمِصْرَ بُيُوتًۭا وَٱجْعَلُوا۟ بُيُوتَكُمْ قِبْلَةًۭ وَأَقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ ۗ وَبَشِّرِ ٱلْمُؤْمِنِينَ ٨٧
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

আল্লাহ তা'আলা বানী ইসরাঈলকে ফিরআউন হতে মুক্তি দেয়ার কারণ বর্ণনায় বলেন, মূসা (আঃ) ও হারূন (আঃ)-কে আমি হুকুম করলাম- তোমরা তোমাদের কওমকে মিসরে নিয়ে যাও এবং সেখানেই বসতি স্থাপন কর। (আরবী) এর ব্যাপারে মুফাসসিরদের মতানৈক্য রয়েছে। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে-তোমরা নিজেদের ঘরগুলোকেই মসজিদ বানিয়ে নাও। ইবরাহীম (রঃ) বলেন যে, বানী ইসরাঈল ভীত-সন্ত্রস্ত ছিল। তাই তাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয় যে, তারা যেন বাড়ীতেই সালাত আদায় করে। এই নির্দেশের ব্যাপারটি ঠিক এইরূপই যে, ফিরআউন এবং তার কওমের পক্ষ থেকে কষ্ট ও বিপদ যখন খুব বেশী আসতে লাগলো, তখন খুব বেশী বেশী করে সালাত পড়ার নির্দেশ দেয়া হলো। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে (আল্লাহর নিকট) সাহায্য প্রার্থনা কর।” হাদীসে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন কোন ব্যাপারে হতবুদ্ধি ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়তেন, তখন তিনি সালাত শুরু করে দিতেন। এজন্যেই এই আয়াতে বলা হয়েছে- গৃহকেই মসজিদ মনে করে তোমরা সালাত আদায় করতে থাকো। আর মুমিনদেরকে সওয়াব ও সাহায্যদানের সুসংবাদ দিয়ে দাও।ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, বানী ইসরাঈল মূসা (আঃ)-কে বলেছিলঃ “আমরা ফিরআউনের লোকদের সামনে প্রকাশ্যভাবে সালাত আদায় করতে পারবো না।” তখন আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে বাড়ীতেই সালাতের অনুমতি দেন। মুজাহিদ (রঃ) বলেন, বানী ইসরাঈল এই ভয় করতো যে, যদি তারা মসজিদে সালাত আদায় করে তবে ফিরআউন তাদেরকে হত্যা করবে। এজন্যেই তাদেরকে গোপনে বাড়ীতে সালাত আদায় করার অনুমতি দেয়া হয়। সাঈদ ইবনে জুবাইর (রঃ) বলেন যে, (আরবী) -এর অর্থ হচ্ছে- যেন একটি অপরটির সামনে থাকে।