7:13 7:15 আয়াতের গ্রুপের জন্য একটি তাফসির পড়ছেন
قال فاهبط منها فما يكون لك ان تتكبر فيها فاخرج انك من الصاغرين ١٣ قال انظرني الى يوم يبعثون ١٤ قال انك من المنظرين ١٥
قَالَ فَٱهْبِطْ مِنْهَا فَمَا يَكُونُ لَكَ أَن تَتَكَبَّرَ فِيهَا فَٱخْرُجْ إِنَّكَ مِنَ ٱلصَّـٰغِرِينَ ١٣ قَالَ أَنظِرْنِىٓ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ ١٤ قَالَ إِنَّكَ مِنَ ٱلْمُنظَرِينَ ١٥
قَالَ
فَاهْبِطْ
مِنْهَا
فَمَا
یَكُوْنُ
لَكَ
اَنْ
تَتَكَبَّرَ
فِیْهَا
فَاخْرُجْ
اِنَّكَ
مِنَ
الصّٰغِرِیْنَ
۟
قَالَ
اَنْظِرْنِیْۤ
اِلٰی
یَوْمِ
یُبْعَثُوْنَ
۟
قَالَ
اِنَّكَ
مِنَ
الْمُنْظَرِیْنَ
۟

১৩-১৫ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ পাক এখানে ইবলীসকে এমন বিষয় সম্পর্কে সম্বোধন করলেন যা অবশ্যই সংঘটিত হবে। তিনি বললেন-তুমি আমার আদেশ অমান্য করা এবং আমার আনুগত্য থেকে বের হয়ে যাওয়ার কারণে এখান থেকে বেরিয়ে যাও। তোমার অহংকার করার কোন অধিকার ছিল না।অধিকাংশ মুফাসসির (আরবী)-এর (আরবী) সর্বনামটিকে (আরবী)-এর দিকে ফিরিয়ে থাকেন। আবার ইবলীসের (আরবী)-তে যে মর্যাদা ছিল সেইদিকে (আরবী) সর্বনামটির ফিরারও সম্ভাবনা রয়েছে।মহান আল্লাহ বলেন-তুমি বেরিয়ে যাও। নিশ্চয়ই তুমি লাঞ্ছিত ও ঘৃণিত। এটা ছিল ইবলীসের হঠকারিতারই প্রতিফল। এখানে ইবলীস একটা কথা চিন্তা করলো এবং কিয়ামতের দিবস পর্যন্ত অবকাশ চাইলো। সে আরয করলোঃ হে আল্লাহ! শাস্তি প্রদানে আমাকে কিয়ামত পর্যন্ত অবকাশ দিন। আল্লাহ পাক তখন তাকে বললেন-“যাও তোমাকে অবকাশ দেয়া হলো। এর মধ্যেও আল্লাহ তা'আলার নিপুণতা লুকায়িত ছিল এবং তাঁর ইচ্ছাই কাজ করছিল। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধাচরণ করা যেতে পারে না। তাঁর হুকুমের পর আর কারো হুকুম চলতে পারে না। তিনি সত্বর হিসাব গ্রহণকারী।