18:71 18:73 আয়াতের গ্রুপের জন্য একটি তাফসির পড়ছেন
فانطلقا حتى اذا ركبا في السفينة خرقها قال اخرقتها لتغرق اهلها لقد جيت شييا امرا ٧١ قال الم اقل انك لن تستطيع معي صبرا ٧٢ قال لا تواخذني بما نسيت ولا ترهقني من امري عسرا ٧٣
فَٱنطَلَقَا حَتَّىٰٓ إِذَا رَكِبَا فِى ٱلسَّفِينَةِ خَرَقَهَا ۖ قَالَ أَخَرَقْتَهَا لِتُغْرِقَ أَهْلَهَا لَقَدْ جِئْتَ شَيْـًٔا إِمْرًۭا ٧١ قَالَ أَلَمْ أَقُلْ إِنَّكَ لَن تَسْتَطِيعَ مَعِىَ صَبْرًۭا ٧٢ قَالَ لَا تُؤَاخِذْنِى بِمَا نَسِيتُ وَلَا تُرْهِقْنِى مِنْ أَمْرِى عُسْرًۭا ٧٣
فَانْطَلَقَا ۥ
حَتّٰۤی
اِذَا
رَكِبَا
فِی
السَّفِیْنَةِ
خَرَقَهَا ؕ
قَالَ
اَخَرَقْتَهَا
لِتُغْرِقَ
اَهْلَهَا ۚ
لَقَدْ
جِئْتَ
شَیْـًٔا
اِمْرًا
۟
قَالَ
اَلَمْ
اَقُلْ
اِنَّكَ
لَنْ
تَسْتَطِیْعَ
مَعِیَ
صَبْرًا
۟
قَالَ
لَا
تُؤَاخِذْنِیْ
بِمَا
نَسِیْتُ
وَلَا
تُرْهِقْنِیْ
مِنْ
اَمْرِیْ
عُسْرًا
۟

৭১-৭৩ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা বলেনঃ দু'জনের মধ্যে যখন শর্ত মীমাংসিত হয়ে গেল যে, হযরত মূসা (আঃ) নিজ থেকে কোন প্রশ্ন করবেন না যে পর্যন্ত না ওর হিকমত ও যৌক্তিকতা তার উপর প্রকাশিত হয়ে পড়বে, তখন উভয়ে যাত্রা শুরু করে দেন। পূর্বে বিস্তারিত রিওয়াইয়াতগুলি গত হয়েছে যে, নৌকার মালিকরা হযরত খিয়রকে (আঃ) চিনে নিয়ে বিনা ভাড়াতেই তাদেরকে নৌকায় উঠিয়ে নিয়েছিল। নৌকাটি চলতে চলতে যখন সমুদ্রের মধ্যভাগে পৌঁছে তখন হযরত খির (আঃ) নৌকাটির একটি তক্তা উপড়িয়ে ফেলেন এবং উপর থেকেই জোড় লাগিয়ে দেন। এ দেখে হযরত মূসা (আঃ) ধৈর্য ধারণ করতে পারলেন না। শর্তের কথা তিনি ভুলে গেলেন এবং হঠাৎ করে বলে ফেললেনঃ “আপনি তো এক গুরুতর অন্যায় কাজ করলেন।”(আরবী) এর (আরবী) টি (আরবী) বা পরিণামের (আরবী) এটা (আরবী) বা কারণ সম্বন্ধীয় (আরবী) নয়। যেমন কোন কবির নিম্নের কবিতাংশে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “সৃষ্ট প্রত্যেক প্রাণীর পরিণাম হচ্ছে মৃত্যু এবং নির্মিত প্রত্যেক প্রাসাদের পরিণাম হচ্ছে ধ্বংস।" (আরবী) শব্দের অর্থ হলো অন্যায়, অপছন্দনীয় ও বিস্ময়কর।হযরত খিষ্যর (আঃ) তখন হযরত মূসাকে (আঃ) তার ওয়াদা স্মরণ করিয়ে দেন এবং বলেনঃ “আপনি শর্তের উল্টো করেছেন। আমি তো আপনাকে পূর্বেই বলেছিলাম যে, আপনি এসব বিষয় অবগত নন এবং এগুলোর জ্ঞান আপনার নেই। সুতরাং চুপ থাকবেন, কোন প্রশ্ন করবেন না। এ সব কাজের যোক্তিকতা ও হিকমত আল্লাহ তাআলা আমাকে জানিয়েছেন, আর আপনার কাছে এগুলি গুপ্ত রয়েছে।” হযরত মূসা (আঃ) তখন হযরত খিরকে (আঃ) বললেনঃ “আমার এই ভুলের জন্যে আমাকে ক্ষমা করে দিন এবং আমার ব্যাপারে অত্যাধিক কঠোরতা অবলম্বন করবেন না।” পূর্বে বিস্তারিত ঘটনার যে দীর্ঘ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে তাতে রয়েছে যে, এই প্রথম প্রশ্নটি বাস্তবিকই ভুল বশতঃই ছিল।