17:56 17:57 আয়াতের গ্রুপের জন্য একটি তাফসির পড়ছেন
قل ادعوا الذين زعمتم من دونه فلا يملكون كشف الضر عنكم ولا تحويلا ٥٦ اولايك الذين يدعون يبتغون الى ربهم الوسيلة ايهم اقرب ويرجون رحمته ويخافون عذابه ان عذاب ربك كان محذورا ٥٧
قُلِ ٱدْعُوا۟ ٱلَّذِينَ زَعَمْتُم مِّن دُونِهِۦ فَلَا يَمْلِكُونَ كَشْفَ ٱلضُّرِّ عَنكُمْ وَلَا تَحْوِيلًا ٥٦ أُو۟لَـٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ يَدْعُونَ يَبْتَغُونَ إِلَىٰ رَبِّهِمُ ٱلْوَسِيلَةَ أَيُّهُمْ أَقْرَبُ وَيَرْجُونَ رَحْمَتَهُۥ وَيَخَافُونَ عَذَابَهُۥٓ ۚ إِنَّ عَذَابَ رَبِّكَ كَانَ مَحْذُورًۭا ٥٧
قُلِ
ادْعُوا
الَّذِیْنَ
زَعَمْتُمْ
مِّنْ
دُوْنِهٖ
فَلَا
یَمْلِكُوْنَ
كَشْفَ
الضُّرِّ
عَنْكُمْ
وَلَا
تَحْوِیْلًا
۟
اُولٰٓىِٕكَ
الَّذِیْنَ
یَدْعُوْنَ
یَبْتَغُوْنَ
اِلٰی
رَبِّهِمُ
الْوَسِیْلَةَ
اَیُّهُمْ
اَقْرَبُ
وَیَرْجُوْنَ
رَحْمَتَهٗ
وَیَخَافُوْنَ
عَذَابَهٗ ؕ
اِنَّ
عَذَابَ
رَبِّكَ
كَانَ
مَحْذُوْرًا
۟

৫৬-৫৭ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা স্বীয় নবীকে (সঃ) বলেছেনঃ হে নবী (সঃ)! যারা আল্লাহ ব্যতীত অন্যদের ইবাদত করে তাদেরকে বলে দাওঃ তোমরা তাদেরকে খুব ভাল করে আহবান করতঃ দেখে নাও যে, তারা তোমাদের কোন উপকার করতে পারে কি না তাদের এই শক্তি আছে যে, তোমাদের কষ্ট কিছু লাঘব করে? জেনে রেখো যে, তাদের কোনই ক্ষমতা নেই। ব্যাপক ক্ষমতাবান একমাত্র আল্লাহ। তিনি এক। তিনিই সবার সৃষ্টিকর্তা এবং হুকুম দাতা একমাত্র তিনিই। এই মুশরিকরা বলতো যে, তারা ফেরেশতাদের হযরত ঈসার (আঃ) -এবং হযরত উযায়েরের (আঃ) ইবাদত করে। তাই মহান আল্লাহ তাদেরকে বলেনঃ তোমরা যাদের ইবাদত কর তারা নিজেরাই তো আল্লাহর নৈকট্য অনুসন্ধান করে।সহীহ বুখারী শরীফে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “এই মুশরিকরা যে জ্বিনদের ইবাদত করতো তারা নিজেরাই মুসলমান হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এরা এখন পর্যন্ত নিজেদের কুফরীর উপরই প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।”এ জন্যেই তাদেরকে সতর্ক করে বলা হচ্ছেঃ তোমাদের মা’বূদরা নিজেরাই আল্লাহর দিকে ঝুঁকে পড়েছে। হযরত ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন যে, এই জ্বিনেরা ফেরেশতাদের একটি শ্ৰেণীভূক্ত ছিল। হযরত ঈসা (আঃ), হযরত মরিয়ম (আঃ), হযরত উযায়ের (আঃ), সূর্য, চন্দ্র এবং ফেরেশতা সবাই আল্লাহর নৈকট্যের অনুসন্ধিৎসু।ইমাম ইবনু জারীর (রঃ) বলেন যে, সঠিক ভাবার্থ হচ্ছেঃ এই মুশরিকরা যে। জ্বিনদের ইবাদত করতো এই আয়াতে তারাই উদ্দেশ্য। কেননা, হযরত ঈসা (আঃ) প্রভৃতির যুগতো শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং ফেরেশতারা পূর্ব হতেই আল্লাহ তাআলার ইবাদতে মশগুল থাকতেন। সুতরাং এখানে জ্বিনেরাই উদ্দেশ্য। (আরবি) এর অর্থ হচ্ছে নৈকট্য, যেমন কাতাদা (রঃ) বলেছেন। এই বুযুর্গদের একমাত্র চিন্তা ছিল যে, কে বেশী আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভ করতে পারেন? তারা আল্লাহর করুণার আকাংখী এবং তাঁর শাস্তি হতে ভীত সন্ত্রস্ত। বাস্তবিক এ দুটো ছাড়া ইবাদত পূর্ণ হয় না। ভয় পাপ থেকে বিরত রাখে এবং আশা-আকাংখা আনুগত্যে উদ্বুদ্ধ করে। প্রকৃতপক্ষেই তার শাস্তি ভীত সন্ত্রস্ত হওয়ার যোগ্য। আল্লাহ আমাদেরকে রক্ষা করুন!