ااشفقتم ان تقدموا بين يدي نجواكم صدقات فاذ لم تفعلوا وتاب الله عليكم فاقيموا الصلاة واتوا الزكاة واطيعوا الله ورسوله والله خبير بما تعملون ١٣
ءَأَشْفَقْتُمْ أَن تُقَدِّمُوا۟ بَيْنَ يَدَىْ نَجْوَىٰكُمْ صَدَقَـٰتٍۢ ۚ فَإِذْ لَمْ تَفْعَلُوا۟ وَتَابَ ٱللَّهُ عَلَيْكُمْ فَأَقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُوا۟ ٱلزَّكَوٰةَ وَأَطِيعُوا۟ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ ۚ وَٱللَّهُ خَبِيرٌۢ بِمَا تَعْمَلُونَ ١٣
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

তোমরা কি চুপে চুপে কথা বলার পূর্বে সাদকা প্রদানকে কষ্টকর মনে কর? যখন তোমরা তা পারলে না, আর আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিলেন; [১] তখন তোমরা নামায প্রতিষ্ঠিত কর, যাকাত প্রদান কর এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য কর। [২] আর তোমরা যা কর, আল্লাহ তা সম্যক অবগত।

[১] এই নির্দেশ 'মুস্তাহাব'-এর পর্যায়ভুক্ত হলেও তা মুসলিমদের জন্য কষ্টকর ছিল। তাই মহান আল্লাহ সত্বর এটাকে রহিত করে দিলেন।

[২] অর্থাৎ, ফরয কাজগুলো আদায় করলে এবং সমস্ত বিধি-বিধানের প্রতি যত্নবান হলে এটাই সেই সাদাকার পরিবর্তে যথেষ্ট হয়ে যাবে, যাকে আল্লাহ তোমাদের কষ্ট হবে বলে মাফ করে দিয়েছেন।