১৭-১৮ নং আয়াতের তাফসীর: বর্ণিত আছে যে, এ আয়াত দু'টি হযরত যায়েদ ইবনে আমর ইবনে নুফায়েল (রাঃ), হযরত আবু যার (রাঃ) এবং হযরত সালমান ফারসী (রাঃ)-এর ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়। কিন্তু সঠিক কথা এই যে, এ আয়াত দু’টি যেমন এই মহান ব্যক্তিবর্গকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, অনুরূপভাবে এমন প্রত্যেক ব্যক্তি এর অন্তর্ভুক্ত যার মধ্যে এই পবিত্র গুণাবলী বিদ্যমান রয়েছে। অর্থাৎ আল্লাহ্ ছাড়া সবারই প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করা এবং মহান আল্লাহর আনুগত্যে অটল থাকা। এ ধরনের লোকদের জন্যে উভয় জগতে সুসংবাদ রয়েছে। যারা মনোযোগ সহকারে কথা শুনে এবং ওর মধ্যে যা উত্তম তা গ্রহণ করে। এই প্রকৃতির লোকদেরকে মহান আল্লাহ্ সৎপথে পরিচালিত করেন এবং এঁরাই বোধশক্তি সম্পন্ন। যেমন আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলা হযরত মূসা (আঃ)-কে তাওরাত প্রদানের সময় বলেছিলেনঃ “এটাকে তুমি শক্তভাবে ধারণ কর এবং তোমার কওমকে নির্দেশ দাও যে, তারা যেন এটাকে উত্তমরূপে ধারণ করে।” সুতরাং জ্ঞানী ও সৎ লোকদের মধ্যে ভাল কথা গ্রহণ করার সঠিক অনুভূতি অবশ্যই বিদ্যমান থাকে।