৫৫ নং আয়াতের তাফসীর:
পূর্বে পর্দার বিধান আলোচনা করার পর এ আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা ঐ সকল লোকদের বর্ণনা দিচ্ছেন যাদের সাথে দেখা করা শরীয়তসম্মত।
অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন: “আর মু’মিন নারীদেরকে বল: তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নিম্নগামী (সংযত) করে ও তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে; তারা যেন যা সাধারণত প্রকাশ থাকে তা ব্যতীত তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে, তাদের ঘাড় ও বক্ষদেশ যেন মাথার কাপড় দ্বারা আবৃত করে, তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, আপন নারীগণ, তাদের মালিকানাধীন দাসী, পুরুষদের মধ্যে যৌন কামনা মুক্ত নিষ্কাম পুরুষ এবং নারীদের গোপন অঙ্গ সম্বন্ধে অজ্ঞ বালক ব্যতীত কারও নিকট তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সৌন্দর্য প্রকাশের উদ্দেশ্যে সজোরে পদ না ফেলে। হে মু’মিগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তাওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।” (সূরা নূর ২৪:৩১)
যখন পর্দার আয়াত নাযিল হয় তখন বাবা, সন্তান ও নিকটাত্মীয়গণ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন আমাদেরও কি পর্দার আড়াল থেকে কথা বলতে হবে? তখন এ আয়াত নাযিল হয়। (কুরতুবী)
আয়াতে যে সকল পুরুষদের সাথে দেখা করা বৈধ তাদের বর্ণনা দেয়া হয়েছে, কিন্তু তাতে চাচা ও খালুর কথা উল্লেখ করা হয়নি। উত্তর হল চাচা ও খালুর বিধান পিতার মতই, তাই উল্লেখ করা হয়নি। এ সম্পর্কে সূরা নূরের ৩১ নং আয়াতে আলোচনা করা হয়েছে।