You are reading a tafsir for the group of verses 24:16 to 24:18
ولولا اذ سمعتموه قلتم ما يكون لنا ان نتكلم بهاذا سبحانك هاذا بهتان عظيم ١٦ يعظكم الله ان تعودوا لمثله ابدا ان كنتم مومنين ١٧ ويبين الله لكم الايات والله عليم حكيم ١٨
وَلَوْلَآ إِذْ سَمِعْتُمُوهُ قُلْتُم مَّا يَكُونُ لَنَآ أَن نَّتَكَلَّمَ بِهَـٰذَا سُبْحَـٰنَكَ هَـٰذَا بُهْتَـٰنٌ عَظِيمٌۭ ١٦ يَعِظُكُمُ ٱللَّهُ أَن تَعُودُوا۟ لِمِثْلِهِۦٓ أَبَدًا إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ ١٧ وَيُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمُ ٱلْـَٔايَـٰتِ ۚ وَٱللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ ١٨
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

১৬-১৮ নং আয়াতের তাফসীরপূর্বে ভাল ধারণা পোষণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, এখানে নির্দেশ দেয়া হচ্ছে যে, ভাল লোকদের সম্পর্কে সত্যাসত্য নিরূপণ না করে কোন মন্দ কথা মুখ দিয়ে বের করা চলবে না। খারাপ ধারণা, জঘন্য অপবাদ এবং শয়তানী কুমন্ত্রণা হতে দূরে থাকতে হবে। কখনো এরূপ খারাপ কথা মুখ দিয়ে বের করতে হবে। যদি অন্তরে এরূপ শয়তানী কুমন্ত্রণা সৃষ্টি হয়েও যায় তবুও জিহ্বাকে সংযত রাখতে হবে। রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আল্লাহ তা'আলা আমার উম্মতের অন্তরে সৃষ্ট কুমন্ত্রণাকে ক্ষমা করে থাকেন যে পর্যন্ত না ওটা মুখে প্রকাশ করে অথবা কার্যে পরিণত করে।” (এ হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত আছে)মহান আল্লাহ বলেনঃ যখন তোমরা এটা শুনলে তখন কেন বললে না- এ বিষয়ে বলাবলি করা আমাদের উচিত নয়? তোমাদের বলা উচিত ছিলঃ আমরা এ বেআদবী করতে পারি না যে, আল্লাহর বন্ধু এবং তাঁর রাসূল (সঃ)-এর স্ত্রীর সম্পর্কে এরূপ বাজে ও জঘন্য কথা বলে ফেলি। আল্লাহর সত্তা পবিত্র। এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ আল্লাহ তোমাদেরকে উপদেশ দিচ্ছেন-তোমরা যদি মুমিন হও তবে কখনো অনুরূপ আচরণের পুনরাবৃত্তি করো হ্যাঁ, তবে যদি কোন লোক ঈমান থেকে অজ্ঞ থাকে তাহলে সে তো বেআদব, অভদ্র এবং ভাল লোকদেরকে ঘৃণাকারী হবেই।আল্লাহ পাক বলেনঃ আল্লাহ তোমাদের জন্যে তার আয়াতসমূহ সুস্পষ্টভাবে বিবৃত করেন। তিনি সর্বজ্ঞ। বান্দার জন্যে কি কল্যাণকর তা তিনি সম্যক অবগত এবং তিনি প্রজ্ঞাময়। তার কোন হুকুমই নিপুণতা শূন্য নয়।