ولقد خلقنا فوقكم سبع طرايق وما كنا عن الخلق غافلين ١٧
وَلَقَدْ خَلَقْنَا فَوْقَكُمْ سَبْعَ طَرَآئِقَ وَمَا كُنَّا عَنِ ٱلْخَلْقِ غَـٰفِلِينَ ١٧
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

১৭ নং আয়াতের তাফসীর:

মানব জাতির সৃষ্টির কথা আলোচনা করার পর আল্লাহ তা‘আলা আকাশসমূহ সৃষ্টির বর্ণনা দিচ্ছেন। মানব সৃষ্টির তুলনায় আকাশসমূহের সৃষ্টি আরো অধিক কঠিন কাজ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন যে, আমি তোমাদের ঊর্ধ্বে সৃষ্টি করেছি সপ্তস্তর। যেমন আল্লাহ তা‘আলা এ সম্পর্কে বলেন:

সপ্ত আকাশ, পৃথিবী এবং তাদের অন্ত‎র্বর্তী সমস্ত‎ কিছু তাঁরই পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। (সূরা বানী ইসরাঈল ১৭:৪৪)

আল্লাহ তা‘আলা অন্যত্র বলেন:

(أَلَمْ تَرَوْا كَيْفَ خَلَقَ اللّٰهُ سَبْعَ سَمٰوٰتٍ طِبَاقًا)‏

“তোমরা লক্ষ্য করনি আল্লাহ তা‘আলা কিভাবে সাত আসমানকে স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন?” (সূরা নুহ ৭১:১৫)

এ সকল সৃষ্টির কথাই প্রমাণ করে যে, সৃষ্টিকর্তা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত দ্বিতীয় আর কেউ নেই। এবং আল্লাহ তা‘আলা সৃষ্টির বিষয়ে অসতর্কও নন। বরং তিনি প্রত্যেক বিষয়ের যথাযথ খবর রাখেন। কোথায় কী হয় না হয় সব কিছ্ইু তিনি জানেন। (আল্লাহ তা‘আলা অধিক জ্ঞাত)

আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:

১. সৃষ্টিকর্তা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা, অন্য কেউ নয়।

২. আকাশ ও জমিন সাতটি।