ان الذين كفروا ويصدون عن سبيل الله والمسجد الحرام الذي جعلناه للناس سواء العاكف فيه والباد ومن يرد فيه بالحاد بظلم نذقه من عذاب اليم ٢٥
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَيَصُدُّونَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ وَٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ ٱلَّذِى جَعَلْنَـٰهُ لِلنَّاسِ سَوَآءً ٱلْعَـٰكِفُ فِيهِ وَٱلْبَادِ ۚ وَمَن يُرِدْ فِيهِ بِإِلْحَادٍۭ بِظُلْمٍۢ نُّذِقْهُ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍۢ ٢٥
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

২৫ নং আয়াতের তাফসীর:

যারা নিজেরা আল্লাহ তা‘আলা ও রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে কুফরী করবে এবং মানুষকে ঈমান আনতে বাধা দিবে এমনকি মাসজিদে হারাম যা স্থানীয় ও বহিরাগত সকলের জন্য সমান তা হতে বাধা দিবে তারা মক্কার কাফির হোক আর অন্য যে কোন এলাকার কাফির হোক তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। যেমন ৬ষ্ঠ হিজরীতে মক্কার মুশরিকরা মুসলিমদেকে উমরা করতে বাধা দিয়েছিল।

মাসজিদে হারামে ইবাদত করার অধিকার সকলের সমান। সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা হোক কিংবা বিদেশী হোক। তবে কোন অমুসলিম তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। উক্ত আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা ঐ সকল কাফির-মুশরিকদের কথা বর্ণনা করেছেন যারা কুফরী করত এবং মানুষকে হজ্জ পালন করা থেকে বাধা দিত। তাদের জন্য থাকবে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

(يَسْأَلُوْنَكَ عَنِ الشَّهْرِ الْحَرَامِ قِتَالٍ فِيْهِ ط قُلْ قِتَالٌ فِيْهِ كَبِيْرٌ ط وَصَدٌّ عَنْ سَبِيْلِ اللّٰهِ وَكُفْرٌۭ بِه۪ وَالْمَسْجِدِ الْحَرَامِ ق وَإِخْرَاجُ أَهْلِه۪ مِنْهُ أَكْبَرُ عِنْدَ اللّٰهِ)

“তারা তোমাকে নিষিদ্ধ মাসে যুদ্ধ করা সম্পর্কে প্রশ্ন করে; তুমি বল, তাতে যুদ্ধ করা বড় অপরাধ। আর আল্লাহর পথে বাধা দেয়া এবং তাঁর সাথে কুফরী করা ও মসজিদে হারামে প্রবেশে বাধা দেয়া এবং এর অধিবাসীদেরকে সেখান থেকে বের করে দেয়া আল্লাহর কাছে আরও বড় গুনাহ।” (সূরা বাক্বারাহ ২:২১৭)

إِلْحَادٍ অর্থ অপব্যাখ্যা করা, বাঁকা পথ অবলম্বন করা। এখানে কুফর ও শিরকসহ সমস্ত পাপকেই বুঝানো হয়েছে।

এমনকি কিছু আলেম কুরআনের শব্দ থেকে এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, যদি কেউ হারামের মধ্যে পাপের ইচ্ছা পোষণ করে সেও এ সতর্কবাণীর আওতায় পড়বে। কেউ কেউ বলেছেন, পাপের শুধু ইচ্ছা করলেই পাকড়াও হবে না। তবে ইচ্ছা যদি কাজে পরিণত করার কাছাকাছি পৌঁছে যায় তাহলে সে অবশ্যই শাস্তিযোগ্য হবে।

সুতরাং জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচতে হলে আমাদের উচিত সৎ কাজ করা আর মানুষকে সৎ কাজের নির্দেশ দেয়া। কাউকে সৎ কাজ করার ব্যাপারে বাধা দেয়া যাবে না।

আয়াত হতে শিক্ষণীয় বিষয়:

১. মানুষকে সৎ কাজ থেকে বাধা দেয়া যাবে না।

২. মাসজিদুল হারামের মর্যাদা সম্পর্কে জানা গেল।