You are reading a tafsir for the group of verses 19:8 to 19:9
قال رب انى يكون لي غلام وكانت امراتي عاقرا وقد بلغت من الكبر عتيا ٨ قال كذالك قال ربك هو علي هين وقد خلقتك من قبل ولم تك شييا ٩
قَالَ رَبِّ أَنَّىٰ يَكُونُ لِى غُلَـٰمٌۭ وَكَانَتِ ٱمْرَأَتِى عَاقِرًۭا وَقَدْ بَلَغْتُ مِنَ ٱلْكِبَرِ عِتِيًّۭا ٨ قَالَ كَذَٰلِكَ قَالَ رَبُّكَ هُوَ عَلَىَّ هَيِّنٌۭ وَقَدْ خَلَقْتُكَ مِن قَبْلُ وَلَمْ تَكُ شَيْـًۭٔا ٩
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

৮-৯ নং আয়াতের তাফসীর: হযরত যাকারিয়া (আঃ) তাঁর প্রার্থনা কবুল হওয়ার ও নিজের সন্তান হওয়ার সুসংবাদ শুনে আনন্দ ও বিস্ময়ের সাথে জিজ্ঞেস করেন যে, বাহ্যতঃ তো এটা অসম্ব বলেই মনে হচ্ছে। কেননা স্বামী স্ত্রী উভয়ের দিক থেকেই শুধু নৈরাশ্যই বিরাজ করছে। স্ত্রী বন্ধ্যা, এই পর্যন্ত তার ছেলে মেয়েই হয়নি। আর তিনি শেষ পর্যায়ের বৃদ্ধ। তার অস্থি গুলিও তো মজ্জাহীন হয়ে গেছে। তিনি একেবারে শুষ্ক ডালের মত হয়ে গেছেন এবং তাঁর স্ত্রীও তো থুড়থুড়ে বুড়ী। কাজেই এমতাবস্থায় তাদের সন্তান হওয়া কি করে সম্ব? তাই, তিনি আনন্দিত ও বিস্মিত হয়েই বিশ্ব প্রতিপালকের কাছে এর অবস্থা জানতে চান। হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ “সমস্ত সুন্নাত আমার জানা আছে। কিন্তু আমি জানি না যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) যুহরে ও আসরে পড়তেন কিনা এবং এটাও জানি না যে, তিনি (আরবী) বলার পর (আরবী) বলতেন কি (আরবী) বলতেন। (এটা ইমাম ইবনু জারীর (রঃ) ও ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন) ফেরেশতারা উত্তরে বললেনঃ “আল্লাহ তাআলা তো এটা ওয়াদাই করেছেন যে, এই অবস্থাতেই এই স্ত্রী হতেই তিনি আপনাকে ছেলে দান করবেন। তার কাছে এ কাজ মোটেই কঠিন নয়। এর চেয়ে বেশী বিস্ময়কর এবং এর চেয়ে বড় শক্তির কাজ তো তোমরা স্বয়ং দেখেছে এবং সেটা হচ্ছে। তোমাদের নিজেদেরই অস্তিত্ব, যা কিছুই ছিল না, আল্লাহ তাআলাই বানিয়েছেন। সুতরাং যিনি তোমাদের সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিলেন, তিনি কি তোমাদেরকে সন্তান দানে সক্ষম নন? যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “নিঃসন্দেহে মানুষের উপর কালের মধ্যে এমন একটি সময় অতীত হয়েছে, যখন সে কোন উল্লেখযোগ্য বস্তুই ছিল না।" (৭৬:১)