وضرب الله مثلا رجلين احدهما ابكم لا يقدر على شيء وهو كل على مولاه اينما يوجهه لا يات بخير هل يستوي هو ومن يامر بالعدل وهو على صراط مستقيم ٧٦
وَضَرَبَ ٱللَّهُ مَثَلًۭا رَّجُلَيْنِ أَحَدُهُمَآ أَبْكَمُ لَا يَقْدِرُ عَلَىٰ شَىْءٍۢ وَهُوَ كَلٌّ عَلَىٰ مَوْلَىٰهُ أَيْنَمَا يُوَجِّههُّ لَا يَأْتِ بِخَيْرٍ ۖ هَلْ يَسْتَوِى هُوَ وَمَن يَأْمُرُ بِٱلْعَدْلِ ۙ وَهُوَ عَلَىٰ صِرَٰطٍۢ مُّسْتَقِيمٍۢ ٧٦
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

মুজাহিদ (রঃ) বলেনঃ “এই দৃষ্টান্ত দ্বারাও ঐ পার্থক্য দেখানো উদ্দেশ্য, যা আল্লাহ তাআলা ও মুশরিকদের প্রতিমাগুলির মধ্যে রয়েছে। এই প্রতিমা হচ্ছে। বোবা। সে কথা বলতেও পারে না, কোন জিনিসের উপর ক্ষমতাও রাখে না। কথা ও কাজ এ দুটো থেকেই সে শূন্য। সে শুধু তার মালিকের উপর বোঝাস্বরূপ। সে যেখানেই যাক না কেন, কোন মঙ্গল আনতে পারে না। সুতরাং এক তো হলো এই ব্যক্তি। আর এক ব্যক্তি, যে ন্যায়ের হুকুম করে থাকে এবং নিজে রয়েছে সরল সোজা পথের উপর অর্থাৎ, কথা ও কাজ এই উভয় দিক দিয়েও ভাল। এ দু’জন কি করে সমান হতে পারে?”একটি উক্তি রয়েছে যে, মূক দ্বারা হযরত উসমানের (রাঃ) গোলামকে বুঝানো হয়েছে। আবার এও হতে পারে যে, এটাও মুমিন ও কাফিরের দৃষ্টান্ত। যেমন এর পূর্ববর্তী আয়াতে ছিল। কথিত আছে যে, কুরায়েশের এক ব্যক্তির গোলামের বর্ণনা পূর্বে রয়েছে এবং দ্বিতীয় ব্যক্তি দ্বারা হযরত উসমানকে (রাঃ) বুঝানো হয়েছে। আর বোঝা গোলাম দ্বারা হযরত উসামনের (রাঃ) ঐ গোলামটিকে বুঝানো হয়েছে যার উপর তিনি খরচ করতেন, অথচ সে তাঁকে কষ্ট দিতো। তিনি তাকে কাজ-কর্ম হতে মুক্তি দিয়ে রেখে ছিলেন, তথাপি সে ইসলাম থেকে বিমুখই ছিল এবং তাঁকে দান খায়রাত ও পূণ্যের কাজ থেকে বাধা প্রদান করতো। তারই ব্যাপারেই এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়।