You are reading a tafsir for the group of verses 11:9 to 11:11
ولين اذقنا الانسان منا رحمة ثم نزعناها منه انه لييوس كفور ٩ ولين اذقناه نعماء بعد ضراء مسته ليقولن ذهب السييات عني انه لفرح فخور ١٠ الا الذين صبروا وعملوا الصالحات اولايك لهم مغفرة واجر كبير ١١
وَلَئِنْ أَذَقْنَا ٱلْإِنسَـٰنَ مِنَّا رَحْمَةًۭ ثُمَّ نَزَعْنَـٰهَا مِنْهُ إِنَّهُۥ لَيَـُٔوسٌۭ كَفُورٌۭ ٩ وَلَئِنْ أَذَقْنَـٰهُ نَعْمَآءَ بَعْدَ ضَرَّآءَ مَسَّتْهُ لَيَقُولَنَّ ذَهَبَ ٱلسَّيِّـَٔاتُ عَنِّىٓ ۚ إِنَّهُۥ لَفَرِحٌۭ فَخُورٌ ١٠ إِلَّا ٱلَّذِينَ صَبَرُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ أُو۟لَـٰٓئِكَ لَهُم مَّغْفِرَةٌۭ وَأَجْرٌۭ كَبِيرٌۭ ١١
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

৯-১১ নং আয়াতের তাফসীর পূর্ণ ঈমানদারগণ ছাড়া সাধারণভাবে জনগণের মধ্যে যে সব খারাপ গুণ ও বদ অভ্যাস রয়েছে, আল্লাহ তাআ’লা এখানে তারই বর্ণনা দিচ্ছেন যে, মানুষ সুখের পর দুঃখ-কষ্টে পতিত হলে সম্পূর্ণরূপে নিরাশ ও অকৃতজ্ঞ হয়ে পড়ে এবং মহান আল্লাহর প্রতি বদ ধারণা পোষণ করতে শুরু করে দেয়, ইতিপূর্বে যেন সে কোন আরাম ও সুখ ভোগ করেই নাই। অথবা এই দুঃখ-কষ্টের পর পুনরায় যে তাদের উপর শান্তি নেমে আসতে পারে এ আশাও তারা করে না। পক্ষান্তরে, দুঃখ-কষ্টে পতিত হওয়ার পর যদি সুখ শান্তি তাদেরকে স্পর্শ করে তখন তারা বলতে শুরু করে যে, দুঃসময় তাদের উপর থেকে সরে গেছে। এ কথা বলে তারা খুশীতে আত্মহারা হয়ে যায় এবং অন্যদের উপর গর্ব করতে থাকে। এর পর আবার যে তাদের উপর দুঃখ বিপদ নেমে আসতে পারে সে সম্পর্কে তারা সম্পূর্ণরূপে বেখেয়াল ও নিশ্চিন্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু যারা মু’মিন তারা এই বদ অভ্যাস থেকে মুক্ত। তারা দুঃখ-দুর্দশায় ধৈর্য ধারণ করে এবং সুখ ও আরামের সময় মহান আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ও তার অনুগত হয়ে থাকে। এসব লোক এর বিনিময়ে ক্ষমা ও বড় পুরস্কার লাভ করে। যেমন হাদীসে এসেছে (রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন): “যার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ! মু'মিনের উপর এমন কোন কষ্ট, বিপদ, দুঃখ ও চিন্তা পতিত হয় না যার কারণে আল্লাহ তাআ’লা তার গুণাহ মাফ না করেন, এমন কি একটা কাঁটা ফুটলেও।” সহীহ্ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে রয়েছে। (যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন): “যাঁর হাতে আমার জীবন রয়েছে তাঁর শপথ! “মু'মিনের জন্যে আল্লাহর প্রত্যেকটা ফায়সালা কল্যাণকর হয়ে থাকে। সে সুখ শান্তির সময় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, ফলে তা তার জন্যে কল্যাণকর হয় এবং দুঃখ-কষ্টের সময় ধৈর্য ধারণ করে, ফলে তখনই সে কল্যাণ লাভ করে থাকে।” এ জন্যেই আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ “আসরের সময়ের শপথ! নিশ্চয় মানুষ অত্যন্ত ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। কিন্তু যারা ঈমান আনে, ভাল কাজ করে, একে অপরকে সত্যের প্রতি উপদেশ দিতে থাকে এবং একে অন্যকে (আমলের) পাবন্দ থাকার উপদেশ দিতে থাকে। (তারাই ক্ষতি হতে রক্ষা পাবে)” মহান আল্লাহ আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “নিশ্চয় মানুষকে দুর্বল মনা করে সৃষ্টি করা হয়েছে। যখন তাকে দুঃখ স্পর্শ করে তখন সে হায়-হুতাশ করতে থাকে। আর যখন সে স্বচ্ছল হয় তখন কার্পণ্য করতে শুরু করে। (৭০:১৯)